শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিআরটিসির দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যান অপসারন: ১০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অবরুদ্ধ বিআরটিসির সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান : অবশেষে ন্যাক্কার জনক বিদায় রাজউকের পরিচালক সালেহ আহমেদ জাকারিয়ার বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের ব্যাপক অভিযোগ বর্তমান চেয়ারম্যানের ছত্রছায়ায় কমিশন বাণিজ্য : বিআরটিসির ডিজিএম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ : সুষ্ঠ তদন্তের দাবী স্মৃতিচারণ, আড্ডা আর সাংস্কৃতিক আয়োজনে জমজমাট সিটি ইউনিভার্সিটির ইইই রিইউনিয়ন বিআরটিসির ডিপো ব্যবস্থাপক কামরুজ্জামানকে ঘিরে বিতর্ক : রাজনৈতিক ছত্রছায়া, গুরুত্বপূর্ণ দ্বায়িত্ব নিয়ে প্রশ্নের ঝড় এক শক্তিশালী সিন্ডিকেটের লুটপাটের ময়দানে পরিণত হয়েছে বিআরটিসি : কোটি কোটি টাকা লোপাট চলছে : দুদকে অভিযোগ বিআরটিসিতে আশরাফুল আলমের শক্তিশালী দুর্নীতির সিন্ডিকেট : রয়েছে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের গুরুতর অভিযোগ বিআরটিসিতে সিন্ডিকেটের দাপট : মফিজ-কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে ১৫ কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ ট্রান্সরেইল লাইটিং ও অমৃক সিংয়ের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, দুদকে অভিযোগ দাখিল বাপার ইবিটি কার্যক্রমে প্রশিক্ষণ পেল ৪৬ হাজার মানুষ

ঘুষ না দিলে কোন বিল ছাড়েন না পিরোজপুর গণপূর্ত বিভাগের হিসাব রক্ষক কামাল : অসহায় ঠিকাদাররা

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৬৪১ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক, পিরোজপুরঃ ঠিকাদারদের কাছ থেকে ঘুষের টাকা বুঝে না পেলে বিল ছাড়েন না পিরোজপুর গণপূর্ত অধিদপ্তরে কর্মরত বিভাগীয় হিসাব রক্ষক মোঃ কামাল উদ্দিন।

দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতেও প্রতিদিন ঘুষ নেওয়া অব্যাহত রেখেছেন তিন। প্রতিবেদকের কাছে ভুক্তভোগী কয়েকজন ঠিকাদার অভিযোগ করে এসব কথা বলেন। এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে।

ঠিকাদারদের অভিযোগ, ঠিকাদারী কাজের পর বিল নিতে গেলেই গণপূর্ত হিসাব বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঘুষ দিতে হয়। ঘুষ ছাড়া কোনো বিল ছাড়েননা হিসাবরক্ষক মোঃ কামাল উদ্দিন। বিলের পরিমাণ দেখে সর্বনিম্ন ৫০০ থেকে লাখ টাকা পর্যন্ত নগদ নেন তিনি। ঘুষ না দিলে বিল পান না ঠিকাদাররা।আর ঘুষ নেয়ার কৌশল হিসেবে তিনি ঠিকাদারদের ভুলভাল বুঝিয়ে অডিট এ সমস্যা হবে বলে ভয় দেখান।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ভুক্তভোগী ঠিকাদার এ প্রতিবেদককে বলেন, বিলের বিপরীতে ইস্যুকৃত চেক ডেলিভারির সময় এমনকি বড় বিল হলে চেক হওয়ার আগেই ঠিকাদারদের কাছ থেকে প্রকাশ্যে ঘুষ নেন মোঃ কামাল হোসেন। যদি কেউ দিতে ব্যর্থ হয় তাহলে তার বিল ছাড়েন না। তিনি নিজে লেনদেন করেন অন্য সময় তার হিসাব সহকারীর মাধ্যমেও লেনদেন করেন। বিলের চেক ছোট হলে ৫০০ থেকে ৫ হাজার টাকা দিতে হয়। টাকার অংক বড় হলে দশ হাজার থেকে লক্ষ টাকা পর্যন্ত দিতে হয় তাকে। তারা আরও বলেন, ওই হিসাবরক্ষকের কাজ হলো শুধু ঠিকাদারদের বিল পাস করে চেক ডেলিভারি দেওয়া,এর বিনিময়ে মোটা অংকের ঘুষ আদায় করা।

এছাড়াও ঘুষের টাকার অংক পছন্দ মতো না হলে বিভিন্ন অজুহাতে বিল আটকে রাখেন প্রশ্ন করলে বলেন আমি নির্বাহী প্রকৌশলীর চাকরি করিনা। তার কথা মতো আমি বিল দিতে পারবো না। তার বিরুদ্ধে তিনটি দপ্তরের অগনিত ঠিকাদারদের অভিযোগের কোন শেষ নেই। ভুক্তভোগী ঠিকাদারদের দাবি তারা এই কর্মকর্তার প্রত্যাহারসহ এ ধরনের হয়রানি থেকে পরিত্রান চান।

প্রায় ২ বছর গণপূর্ত বিভাগ ছাড়াও পিরোজপুরে জুন ২০২৫ এর পরে সড়ক ও জনপথ এবং প্রায় এক বছর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে তিনি হিসাবরক্ষক এর দ্বায়িত্ব পালন করছেন। এ দুটি দপ্তরেও কামাল উদ্দিন খুলে বসেছেন ঘুষের দোকান।

উল্লেখ্য ফেসিস্ট সরকারের শাসনামলে কামাল উদ্দিন বিভিন্ন এমপি মন্ত্রীদের ব্যবহার করে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পোস্টিং নিয়ে চালিয়েছেন ঘুষ বাণিজ্য।এছাড়া নিজের লোক ঠিক করে ঠিকাদারি করছেন এবং এখনো তিনি ঠিকাদারী ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য মোঃ কামাল উদ্দিনের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদক এর পরিচয় পাওয়ার পরে ফোন কেটে দেন। পরবর্তিতে তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি।

উল্লেখ্য প্রতিবেদক এর কাছে তার ঘুষ লেনদেন এর বিভিন্ন প্রমান রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022 agamirbangladesh24.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin