শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিআরটিসির দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যান অপসারন: ১০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অবরুদ্ধ বিআরটিসির সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান : অবশেষে ন্যাক্কার জনক বিদায় রাজউকের পরিচালক সালেহ আহমেদ জাকারিয়ার বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের ব্যাপক অভিযোগ বর্তমান চেয়ারম্যানের ছত্রছায়ায় কমিশন বাণিজ্য : বিআরটিসির ডিজিএম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ : সুষ্ঠ তদন্তের দাবী স্মৃতিচারণ, আড্ডা আর সাংস্কৃতিক আয়োজনে জমজমাট সিটি ইউনিভার্সিটির ইইই রিইউনিয়ন বিআরটিসির ডিপো ব্যবস্থাপক কামরুজ্জামানকে ঘিরে বিতর্ক : রাজনৈতিক ছত্রছায়া, গুরুত্বপূর্ণ দ্বায়িত্ব নিয়ে প্রশ্নের ঝড় এক শক্তিশালী সিন্ডিকেটের লুটপাটের ময়দানে পরিণত হয়েছে বিআরটিসি : কোটি কোটি টাকা লোপাট চলছে : দুদকে অভিযোগ বিআরটিসিতে আশরাফুল আলমের শক্তিশালী দুর্নীতির সিন্ডিকেট : রয়েছে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের গুরুতর অভিযোগ বিআরটিসিতে সিন্ডিকেটের দাপট : মফিজ-কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে ১৫ কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ ট্রান্সরেইল লাইটিং ও অমৃক সিংয়ের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, দুদকে অভিযোগ দাখিল বাপার ইবিটি কার্যক্রমে প্রশিক্ষণ পেল ৪৬ হাজার মানুষ

দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন রাজউকের ইমারত পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম পিয়াল

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
  • ১২৪ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাঃ রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) জোন ৬/১-এর ইমারত পরিদর্শক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম পিয়ালের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নির্মাণাধীন ও নির্মিত ভবন থেকে অনিয়মের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

অনুসন্ধান ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর রামপুরা, বনশ্রী, মেরাদিয়া, খিলগাঁও, নয়াপাড়া, পোড়াবাড়ির মোড় ও নয়াপাড়া বাজার সহ বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত একাধিক ভবনের মালিকদের কাছ থেকে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে অর্থ আদায় করা হয়েছে। বিশেষ করে বনশ্রী ব্লক-এ, ব্লক-ই, ব্লক-জে এবং মেরাদিয়া ও খিলগাঁও এলাকায় একাধিক ভবন মালিকের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্র গুলোর দাবি, নকশা অনুমোদন, নির্মাণ তদারকি এবং নিয়মিত পরিদর্শনের সময় নানা অজুহাতে অর্থ দাবি করেন ইমারত পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম পিয়াল।

অভিযোগ রয়েছে, রাজউক পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম পিয়াল তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করে ভবন মালিকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। বলা হয়, এসব কর্মকর্তাদের ‘ম্যানেজ’ করতে না পারলে নির্মাণ কাজ আটকে দেওয়া হবে অথবা জটিলতায় ফেলা হবে। এমন পরিস্থিতিতে অনেক ভবন মালিক একপ্রকার বাধ্য হয়ে কোনো নির্ধারিত নিয়ম বা বৈধতা ছাড়াই মোটা অঙ্কের অর্থ পরিশোধ করেছেন বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী ব্যাক্তি জানান, রাজউকের পক্ষ থেকে হয়রানির আশঙ্কায় রাজউক পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম পিয়ালকে তারা এসব অর্থ দিতে বাধ্য হয়েছেন।

তাদের অভিযোগ, নিয়ম মেনে ভবন নির্মাণ করলেও রাজউক পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম পিয়ালের অনৈতিক চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে।

স্থানীয়দের মতে, এসব অনিয়মের কারণে এলাকায় অপরিকল্পিত ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের সংখ্যা বাড়ছে, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এতে রাজউকের নজরদারি নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে।

এ সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও অভিযোগের কাগজপত্র যাচাই করে দেখা গেছে, কিছু ভবনের ক্ষেত্রে রাজউকের লিখিত অনুমোদন ছাড়াই নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

এ সকল অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য ইমারত পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম পিয়ালের মুঠোফোনে ফোন দিয়ে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় কিন্তু তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে পরবর্তীতে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।

অভিযুক্ত ইমারত পরিদর্শক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম পিয়ালের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগের বিষয়ে অথরাইজড অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুনকে কল করা হলে তিনিও ফোন রিসিভ করেননি। তবে পরবর্তীতে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।

এদিকে নগর বিশেষজ্ঞ ও সুশাসন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, রাজউকের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ সংস্থাটির বিশ্বাস যোগ্যতাকে মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তারা দ্রুত স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022 agamirbangladesh24.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin