
বিশেষ প্রতিবেদক, গোপালগঞ্জঃ বিগত দিনে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অপরাধসহ সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জে ককটেল বিস্ফোরণ দায়িত্ব পালন করেন গোপালগঞ্জ জেলা যুবলীগের সভাপতি মাসুদ রানা।
ব্যাপক অনুসন্ধানে জানা যায়, গোপালগঞ্জ সদরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গাড়িতে আগুন ও হামলা, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানীর পরিবারের উপর হামলাসহ কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা দিদার হত্যা, ১৬ জুলাই পুলিশের গাড়িতে আগুন, ইউএনও’র গাড়ীতে হামলাসহ জেলার বিভিন্ন সড়কে নাশকতা সৃষ্টি ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচাল করতে গোপালগঞ্জ জেলায় ককটেল বিস্ফোরণ সহ বিভিন্ন কর্মকান্ডের মুল হোতা গোপালগঞ্জ জেলা যুবলীগের সভাপতি মাসুদ রানা রয়েছে ধরা ছোয়ার বাইরে।

মাসুদ রানা বর্তমানে তার আপন ছোট ভাই গোপালগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সাজ্জাদ হোসেন হিরার সেল্টারে।
এ ছাড়াও গোপালগঞ্জ আদালতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন সাংবাদিক সৈয়দ মিরাজুল ইসলাম। ওই মামলায় সাক্ষী হিসাবে রাখা হয় তার আপন ছোট ভাই গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক সৈয়দ মুরাদুল ইসলাম বর্তমানে ওই সাংবাদিক দুই ভাই কে সেল্টার দিচ্ছে গোপালগঞ্জ জেলা যুবলীগের সভাপতি মাসুদ রানার আপন ছোট ভাই গোপালগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সাজ্জাদ হোসেন হিরা।
এ সকল ঘটনা ছাড়াও বিভিন্ন সময় সাধারন জনগনকে মামলার ভয় দেখিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ।
হিরার বিরুদ্ধে রয়েছে থানার দালালিসহ আরো বিস্তার অভিযোগ যা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সাজ্জাদ হোসেন হিরার সাথে কয়েক দফা চেষ্টা করেও তার কোন বক্তব্য বা মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
সাজ্জাদ হোসেন হিরার বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সহ প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ভুক্তভোগীসহ এলাকাবাসী।