শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দুদকের অভিযোগের পরিসমাপ্তি, মিলেছে পরিষ্কার রায় : ষড়যন্ত্রের শিকার বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সাইদুর রহমান দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন রাজউকের ইমারত পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম পিয়াল তদন্তাধীন মামলা নিয়ে তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ গাজীপুরে এনডিইএ-এর নতুন কমিটি, আহ্বায়ক মেরাজুল ইসলাম ও সদস্য সচিব মাসনুন নাফি বিআইডব্লিউটিএ নেতা মাজহারের লম্বা হাত তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হয়েও গড়েছেন সম্পদের পাহাড় : হয়েছেন স্বঘোষিত সভাপতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয়ের পর প্রেম, বিয়ে ও অর্থ আত্মসাৎ : খুলনায় নারীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ  যুবলীগ নেতা আবুল হাসান আবারো বেপরোয়া : মতিঝিলে চালাচ্ছে নীরব চাঁদাবাজি অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ এম আর এনার্জি ফিলিং স্টেশনের বিরুদ্ধে  জামিল হোসেনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার ঘোষণা ভাতের হোটেল থেকে ভুমি কর্মকর্তা : মোতাহার হোসেন খান ভুমি সহকারীর দুর্নীতির খতিয়ান : গড়ে তুলেছেন হাজার কোটি টাকার সম্পদ

দুদকের অভিযোগের পরিসমাপ্তি, মিলেছে পরিষ্কার রায় : ষড়যন্ত্রের শিকার বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সাইদুর রহমান

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩ Time View

এম শিমুল খান, ঢাকাঃ বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পুর) মো. সাইদুর রহমান দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

বিআইডব্লিউটিএর সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সূত্রে জানা যায়, পেশাগত দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার অনন্য নজির স্থাপন করে তিনি হয়ে উঠেছেন প্রতিষ্ঠানের একজন গ্রহণযোগ্য ও নির্ভরযোগ্য কর্মকর্তা।

তাঁকে ঘিরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভুঁইফোড় কিছু অনলাইন নিউজ পোর্টালে তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার করেছে বলে জানা যায়। তাছাড়া তার বিরুদ্ধে বানোয়াট সংবাদ প্রচার করেছে।

বিআইডব্লিউটিএর একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন সাইদুর রহমান। আর এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে একটি স্বার্থান্বেষী ও কুচক্রী মহল তাঁর পেশাগত সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে সাংবাদিকদের কাছে ছড়িয়ে দিচ্ছে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও অসম্পূর্ণ তথ্য।

উল্লেখ্য, বিআইডব্লিউটিএ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পুর) মো. সাইদুর রহমান ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পরিসমাপ্তি করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক (বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত-১) মো. কামরুজ্জামান স্বাক্ষরিত ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের স্মারক নম্বর। ০০.০১.০০০০.০০০.৫০১.০১.০০৩৭.১৭.১৫ পত্রে এ তথ্যের সত্যতা মিলেছে। উপর্যুক্ত বিষয় ও সূত্রের পরিপেক্ষিতে বর্ণিত অভিযোগটি অনুসন্ধানে প্রমাণিত না হওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক চূড়ান্তভাবে অভিযোগটি পরিসমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অপর এক কর্মকর্তা বলেন, দীর্ঘ কর্মজীবনে একজন প্রকৌশলী হিসেবে সাইদুর রহমান বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পালন করেছেন। তাঁর বিরল দক্ষতা ও কাজের অভিজ্ঞতার কারণেই তিনি আজ প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত। তবে তাঁর বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক অভিযোগ গুলোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে সংশ্লিষ্ট সব নথি ও পক্ষের বক্তব্য যাচাই করা জরুরি বলে তিনি মনে করেন।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, যদি তাঁর বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে, তা গোপনে অপপ্রচার না করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হোক। প্রয়োজন হলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা যেতে পারে। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, কোনো অভিযোগ সত্য হলে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে কারো আপত্তি থাকার কথা নয়। কিন্তু অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করেই সংবাদমাধ্যমে তা প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে প্রচার করা ন্যায়সঙ্গত নয়। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, যেসব প্রকল্প বা সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, সেসব ক্ষেত্রে একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর প্রকৃত দায়িত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কতটুকু ছিল, সেটিও সংবাদ প্রকাশের আগে খতিয়ে দেখা আবশ্যক।

বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সাইদুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, কর্মজীবনে সবসময় প্রতিষ্ঠানের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে অনিয়ম বা অনৈতিক চাপের কাছে নতী স্বীকার না করে পেশাগত দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করেছি।

তিনি প্রকাশিত সংবাদগুলোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, সাংবাদিকতা সমাজের অনিয়ম তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তাই কোনো কর্মকর্তা বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা অনুসন্ধান করা অবশ্যই সাংবাদিকতার দায়িত্ব। কিন্তু সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া সাংবাদিকতার মৌলিক নীতি।

সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি বা স্বার্থান্বেষী মহলের সরবরাহ করা তথ্যের ওপর নির্ভর না করে সংশ্লিষ্ট নথি, সরকারি সিদ্ধান্ত, প্রকল্পের কাগজপত্র ও প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশ করা হোক।

তিনি আরও বলেন, সত্য উদ্ঘাটনের জন্য সাংবাদিকদের অনুসন্ধানকে তিনি স্বাগত জানান। কিন্তু মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্যের ভিত্তিতে কোনো সংবাদ প্রকাশিত হলে তাতে শুধু একজন কর্মকর্তার ভাবমূর্তিই ক্ষতিগ্রস্ত হয় না—পারিবারিক, সামাজিক ও প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিও নষ্ট হয়। সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, সময়ই সব কিছুর নির্ণায়ক, এবং সত্য কখনো চাপা থাকে না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022 agamirbangladesh24.com
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin